এপ্রিল-জুন

ইস্টারের ছুটির প্রভাবে রায়ানএয়ারের মুনাফা বেড়ে দ্বিগুণ

আয়ারল্যান্ডভিত্তিক এয়ারলাইনস সংস্থা রায়ানএয়ারের চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) নিট মুনাফা দ্বিগুণ হয়েছে।

আয়ারল্যান্ডভিত্তিক এয়ারলাইনস সংস্থা রায়ানএয়ারের চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) নিট মুনাফা দ্বিগুণ হয়েছে। এ প্রবৃদ্ধির কারণ হিসেবে সংস্থাটি সামনে রেখেছে ইস্টারের ছুটি ও স্থিতিশীল টিকিট বুকিং। চলতি গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষেও শক্তিশালী বুকিং আশা করছে ইউরোপের বৃহত্তম এ বাজেট এয়ারলাইনস। খবর রয়টার্স।

জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে ৮২ কোটি ইউরো বা ৯৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের সমতুল্য নিট মুনাফা অর্জন করেছে রায়ানএয়ার, যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৩৬ কোটি ইউরো। এর আগে এক জরিপে বিশ্লেষকরা গত প্রান্তিকের জন্য ৭১ কোটি ৬০ লাখ ইউরো মুনাফার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। অর্থাৎ সে পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে রায়ানএয়ার।

রায়ানএয়ারের তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় ফ্লাইটের গড় ভাড়া বেড়েছে ২১ শতাংশ। সংস্থার প্রধান নির্বাহী মাইকেল ও’লিয়ারি বলেন, ইস্টারের ছুটি ভালো সময়ে হওয়া এবং শেষ মুহূর্তে চাহিদা বাড়ায় ভাড়াও বেড়েছে।

ব্রিটেনের বাজেট এয়ারলাইনস ইজি জেট ও জেটটুর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীরা সম্প্রতি দেরিতে বুকিংয়ের প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এর বিপরীতে রায়ানএয়ার বলছে, তারা এমন কোনো প্রবণতা দেখছে না।

সংস্থার প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা নিল সোরাহান বলেন, ‘বুকিং পরিস্থিতি ভালো অবস্থায় রয়েছে। গ্রাহকদের দৃঢ় ভরসার কারণে তা সম্ভব হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে রায়ানএয়ারের বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় অনেক প্রতিদ্বন্দ্বীর বুকিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ইউরোপীয় এয়ারলাইনসের জন্য সবচেয়ে লাভজনক সময় হিসেবে বিবেচিত জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিক। গত বছর ৭ শতাংশ ভাড়া হ্রাসজনিত ক্ষতির বেশির ভাগ এ সময় পুনরুদ্ধার করতে পারবে বলে আশা করছে রায়ানএয়ার। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক মুনাফা নির্ভর করছে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে বুকিংয়ের ওপর। তবে ও’লিয়ারি বলছেন, ‘ভাড়ায় পুনরুদ্ধারের ধারা বজায় থাকলে আগামী বছরের ৩১ মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে পর্যাপ্ত মুনাফা প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।’

রায়ানএয়ার ইউরোপে বোয়িংয়ের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ নিয়ে সম্ভাব্য শুল্ক আরোপের ওপর গভীর নজর রাখছে। এক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হতে পারে বলে আশাবাদী তারা।

নিল সোরাহান বলেন, ‘সমাধান আসার ক্ষেত্রে আমরা সবাই আশাবাদী, আর কিছুটা আত্মবিশ্বাসও।’

আরও